সূরা আবাসা | সূরা ৮০

সূরা আবাসা পাঠ [ Repetition ] আজকের ভিডিও এর বিষয়। “সূরা আবাসা (তিনি ভ্রুকুটি করলেন) [ Surah Abasa (He frowned) ]” আল-কুরআনের [ Al-Quran ] ৮০তম সূরা বা অধ্যায় [ Surah/Chapter 80], এর আয়াত সংখ্যা ৪২টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ১ টি। সূরা আবাসা (Surah Abasa) শব্দের অর্থ তিনি ভ্রুকুটি করলেন (Cheating))। সূরা আবাসা (তিনি ভ্রুকুটি করলেন) [ Surah Abasa (He frowned) ] মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। তাই এটি মাক্কী সূরা [ Makki Surah ]।

 

সূরা আবাসা

সূরা আবাসা‌ (আরবি ভাষায়: عبس‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৮০ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৪২; এর রূকু তথা অনুচ্ছেদ ১ টি। সূরা আবাসা‌ মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। এই সূরাটির প্রথম শব্দ عَبَسَ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরাটি عَبَسَ (‘আবাসা‌’) শব্দটি দ্বারা শুরু হয়েছে এটি সেই সূরা।

 

সূরা আবাসা

 

শানে নুযূল

শানে নুযূল :

মা আয়েশা ছিদ্দীক্বা (রাযিয়াল্লাহু ‘আনহা) বলেন, অত্র সূরাটি অন্ধ ছাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম সম্পর্কে (মক্কায়) নাযিল হয়। তিনি কোন একটি বিষয় জানার জন্য রাসূল (ছাঃ)-এর নিকটে আসেন। ঐ সময় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) জনৈক মুশরিক নেতার সাথে কথা বলছিলেন। এভাবে কথার মধ্যে কথা বলায় (অন্য বর্ণনায় এসেছে, ইবনে উম্মে মাকতূম পীড়াপীড়ি করায়) রাসূল (ছাঃ) বিরক্ত হন এবং তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে ঐ নেতার প্রতি মনোনিবেশ করেন, যাতে তিনি হেদায়াত প্রাপ্ত হন। তখন অত্র আয়াতসমূহ নাযিল হয়।

উল্লেখ্য যে, আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূমের কারণে তিরস্কারমূলক এই স্মরণীয় আয়াতগুলি নাযিল হওয়ায় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাকে খুবই সমাদর করতেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যুদ্ধে গমনকালে তাকে প্রায়ই মদীনার প্রশাসকের দায়িত্ব দিয়ে যেতেন। জীবনীকারগণ বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বদর, ওহোদ, হামরাউল আসাদ ও বিদায় হজ্জ সহ মোট ১৩ বার মদীনা ত্যাগকালে তাকে মদীনার দায়িত্ব দিয়ে যান। বেলাল তাহাজ্জুদ ও সাহারীর আযান দিতেন এবং তিনি ফজরের আযান দিতেন।[4] মূলতঃ এ সবই ছিল রাসূল (ছাঃ)-এর পক্ষ হ’তে তাকে বিশেষ মর্যাদা দানের ফল।

আর এই মর্যাদা দানের কারণ ছিল তার উপলক্ষে সূরার প্রথম আয়াতগুলি নাযিল হওয়া। নিঃসন্দেহে এটি ছিল অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ বিষয়। যতদিন দুনিয়া থাকবে ও কুরআনের পাঠক থাকবে, ততদিন মানুষ অন্ধ ছাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূমের নাম স্মরণ করবে। এই সৌভাগ্য হযরত আবুবকর (তওবা ৯/৪০), আয়েশা (নূর ২৪/১১-২৬) ও যায়েদ বিন হারেছাহ (আহযাব ৩৩/৩৭) ব্যতীত আর কারো হয়নি।

 

বিষয়বস্তুর বিবরণ

সাম্যতা।। হ্যাঁ, আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সূরার শুরুতে সুন্দরভাবে এই ব্যাপারটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে স্বয়ং তিনিই শিক্ষা দিয়েছেন। যদিও রাসূল সাঃ সেটা ভালভাবেই জানতেন,এখানে উদ্দেশ্য হলো মানুষ যাতে সচেতন হতে পারে। পরবর্তীতে বলা হয়েছে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা উপদেশ। এর পরেই আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা’য়ালা মানব সৃষ্টির উৎস সম্পর্কে জানান দিয়েছেন ।

এর পরেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা -মানুষকে এত সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন অথচ মানুষ তাকে ভুলে গিয়ে জীবন পরিচালনা করছে-সেই বিষয়টি ধমকের সুরে তাকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন । এবং মানুষের সকল কর্মকান্ড কিছু দায়িত্বপ্রাপ্ত ফেরেশতারা লিখছেন সেটা বলা হয়েছে। এর উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে তাদের হিসাব করা হবে এবং সেই দিন কেউ কারো উপকারে আসবেনা সবাই নিজ নিজ হিসাব নিয়ে টেনশনে থাকবে।

 

সূরা মুতাফফিফীন

 

সূরা আবাসা সুরা পাঠঃ

 

Leave a Comment