যুদ্ধবন্দি: আবু আজিজ, মুসআব ইবনে উমায়েরের ভাই | বদরের যুদ্ধ-৬ | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

যুদ্ধবন্দি: আবু আজিজ, মুসআব ইবনে উমায়েরের ভাই | বদরের যুদ্ধ-৬, আরেকটি ঘটনা ছিল আৰু আজিজ ইবনে উমায়েরকে নিয়ে, যে তার ভাই মুসআব ইবনে উমায়েরকে (রা) মুসলিমদের মধ্যে দেখতে পেয়ে বেশ খুশি হয়েছিল। যে আনসারি তাঁর ভাইকে বন্দি করেছিলেন মুসআব তাঁকে গিয়ে বললেন, খেয়াল রাখবেন, সে যেন পালাতে না পারে। কারণ তার মা খুব ধনী, এবং সে তার জন্য ‘উচ্চ মূল্য’ দেবে।

আবু-আজিজ: তুমি আমার ভাই। আর তুমিই আমার সাথে এমন আচরণ করলে? মুসআব: তিনি (আনসারি ব্যক্তিটি) আমার ভাই, তুমি নও ।

 

যুদ্ধবন্দি: আবু আজিজ, মুসআব ইবনে উমায়েরের ভাই | বদরের যুদ্ধ-৬ | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

 

যুদ্ধবন্দি: আবু আজিজ, মুসআব ইবনে উমায়েরের ভাই | বদরের যুদ্ধ-৬ | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

অবশিষ্ট যুদ্ধবন্দিদের ক্ষমা করে মুক্তি দেওয়া

যাদের কোনো মুক্তিপণ দেওয়ার সামর্থ্য ছিল না, আবার নিজেরাও নিরক্ষর ছিল, 9 তাদের সবাইকে মুক্তিপণ ছাড়াই মক্কায় ফেরত পাঠানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে ছিল আল-মুত্তালিব ইবনে হানতাৰ, সাইফি ইবনে আবি রিফাআ, আবু আচ্ছা আল-জুমাহি, প্রমুখ।

জানা যায়, আৰু আড্ডা নবিজির (সা) কাছে এসে বলেছিল, “হে আল্লাহর রসুল, আপনি জানেন আমার পরিবার প্রভাবশালী নয়। আপনি এ-ও জানেন যে আমার কোনো পুত্রসন্তান নেই, আমার কেবল কয়েকজন কন্যাসন্তান আছে। আমার কোনো টাকাপয়সা নেই, কিন্তু ভরণপোষণ করার জন্য রয়েছে একটি বড় পরিবার। অতএব আমার প্রতি সদয় হোন।” নবিজি (সা) তাকে এক শর্ত দিয়ে মুক্তি দিয়েছিলেন, তা হলো “ফিরে গিয়ে তুমি আর কখনও আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে না।”

 

যুদ্ধবন্দি: আবু আজিজ, মুসআব ইবনে উমায়েরের ভাই | বদরের যুদ্ধ-৬ | মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) জীবন

 

আবু আজ্জা এই শর্ত মেনে নিয়ে মক্কায় ফিরে যায়। সেখানে সে নবিজির (সা) সহৃদয়তার প্রশংসা করে চমৎকার একটি কবিতা লেখে। কবিতাটি ইবনে ইসহাকের সিরাহে লিপিবদ্ধ আছে। বদরের অনেক যুদ্ধবন্দি মক্কা বিজয়ের (৮ম হিজরি) আগে বা ঠিক তার পরপরই ইসলাম গ্রহণ করেছিল। তাদের মধ্যে নওফেল ইবনুল হারিস, আব্বাস, আকিল ইবনে আবি তালিব, সুহায়েল ইবনে আমর উল্লেখযোগ্য।

Leave a Comment